• ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PK

দেশ

এনডিএর পুরনো অস্ত্র ‘লালুর ভয়’— এবার ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের প্লে-অফের রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাজিমাত পাঞ্জাব কিংস। বিরাট কোহলিদের ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে ভেসে রইল মায়াঙ্ক আগরওয়ালরা। যদিও সম্ভাবনা অনেকটাই কম। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারায় প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। পাঞ্জাবের ২০৯/৯ রানের জবাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ২০ ওভারে তুলল ১৫৫/৯। মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের লক্ষ্য রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। বড় রান তাড়া করতে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলাটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেননি বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসিরা। যদিও এদিন ভাল শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। শুরুর দিকে তাঁকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে দুদুটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। পরের ওভারে হরপ্রীত ব্রার বলে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। মনে হচ্ছিল হয়তো এদিন বড় রানের দিকে এগিয়ে যাবেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন। কাগিসো রাবাডাকে আক্রমণে নিয়ে এসে বাজিমাত করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই রাবাডা তুলে নেন কোহলিকে। ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন কোহলি। পরের ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসি (১০) ও মহীপাল লোমরোরকে (৬) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ঋষি ধাওয়ান। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রজত পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৬৪। একাদশ ওভারের শেষ বলে রজত পতিদারকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাহুল চাহার। পরের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলকে (৩৫) ফেরান হরপ্রীত ব্রার। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। দীনেশ কার্তিক (১১), শাহবাজ আমেদ (৯), হর্ষল প্যাটেলরা (১১) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ঋষি ধাওয়ান ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।এদিন দুরন্ত ব্যাটিং করে পাঞ্জাব কিংসকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। বেয়ারস্টো ২৯ বলে করেন ৬৬ রান। তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯), হরপ্রীত ব্রাররা (৭) ব্যর্থ হলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ২০ ওভারে ২০৯/৯ তোলে পাঞ্জাব। আইপিএলে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলে ইডেনে প্লে অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জিতলে আশা বেঁচে থাকবে পাঞ্জাব কিংসের। ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলল ২০৯ রান। দুরন্ত ব্যাটিং করলেন লিয়াম বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন।পাঞ্জাব কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা ধারাবাহিকতার অভাব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরলেন ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের ভিত গড়ে দেয়। বেয়ারস্টো রান পেলেই পাঞ্জাব বড় রানে পৌঁছবে, এটাই ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ফর্ম। চলতি আইপিএলে একেবারেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। এদিনও ব্যর্থ।টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। জস হ্যাজেলউড, মহম্মদ সিরাজের ওপর বেশি নির্দয় ছিলেন জনি বেয়ারস্টো। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শিখর ধাওয়ানকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে স্বদেশীয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।১ ওভারের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালেও ঝড় অব্যাহত ছিল বেয়ারস্টোর। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৬ রান করে তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯) রান পাননি। হরপ্রীত ব্রার করেন ৭। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট!‌ কামাল উমরান মালিকের

আইপিএল এত এগোচ্ছে নিজেকে ক্রমশ মেলে ধরছেন উমরান মালিক। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমাণ করেই চলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এদিন ৭ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব কিংসকে। উমরান মালিক শেষ ওভারে তুলে নেন তিনটি উইকেট। একটি রান আউটের দৌলতে শেষ ওভারে মোট চারটি উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস।উমরান মালিকের শেষ ওভারটি আবার ছিল মেডেন। আইপিএলে চতুর্থ বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন। ২০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওডিয়ান স্মিথ, চতুর্থ বলে রাহুল চাহার, পঞ্চম বলে বৈভব অরোরা আউট হন। চাহার ও অরোরা বোল্ড হন। শেষ বলে রান আউট হন অর্শদীপ সিং। উমরান মালিকের আগে আইপিএলে ২০তম ওভারে বল করতে গিয়ে মেডেন নেওয়ার নজির আছে তিনজন বোলারের। ২০০৮ সালে ইরফান পাঠানের মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে, ২০০৯ সালে ডারবানে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে লাসিথ মালিঙ্গার, ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়দেব উনাদকাটের। ম্যাচ শুরুর আগেই ধাক্কা পাঞ্জাব কিংসের। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিতে নামেন শিখর ধাওয়ান। টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না পাঞ্জাব কিংসের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিকদের বলের সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটাররা। ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে একা লড়াই করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন উমরান মালিক। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব কিংস। মাত্র ৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে ফিরে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া প্রভসিমরণ সিং মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। জনি বেয়ারস্টো করেন ১২। জিতেশ শর্মাও (১১) রান পাননি। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর শাহরুখ খানকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান লিভিংস্টোন। ২৮ বলে ২৬ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন শাহরুখ। লড়াই জারি রাখেন লিভিংস্টোন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৬০ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে তিনি আউট হন। এদিন ভুবনেশ্বর ও উমরান মালিক তছনছ করে দেয় পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৮ রানে ৪ উইকেট উমরান মালিকের। জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। শুরুর দিকে রান তোলার গতি যথেষ্ট মন্থর ছিল। ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৪। এরপরই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই উইলিয়ামসনকে (৩) তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। এরপর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২ বলে ৩৪ রান করে রাহুল চাহারের বলে আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। ২৫ বলে ৩১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তিনিও রাহুল চাহারের শিকার। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এইডেন মার্করাম (২৭ বলে অপরাজিত ৪১) ও নিকোলাস পুরান (৩০ বলে অপরাজিত ৩৫)। ১৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন রাহুল চাহার।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতের ১০ হাজারী মাইলস্টোনেও দুঃস্বপ্ন কাটল না মুম্বইয়ের

চলতি আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুঃস্বপ্ন চলছেই। টানা ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখল না। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারল ১২ রানে। দল এখনও জয় না পেলেও টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পোঁছে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোহিত শর্মার দরকার ছিল ২৫ রান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কাগিসো রাবাডার তৃতীয় বল ডিপ এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন রোহিত। ১৭ বলে ২৮ রান করেন রোহিত। এদিন ২৮ রান করায় টি২০ ক্রিকেটে তাঁর মোট রান হল ১০০০৩। বিরাট কোহলির রান ১০৪৯৯।মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম জয় পেয়েছিল চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অবশ্য এখনও জয়ের মুখ দেখল না। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো (১৩ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। ঝড় তুলেও চতুর্থ ওভারে ফিরে যান রোহিত শর্মা। পরের ওভারে ঈশান কিশানকে (৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন বৈভব আরোরা। এরপর ঝড় তোলেন বেবি এবি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ১০ ওভারে ১০৫/২ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। ওডিয়েন স্মিথের বলে ব্রেভিস ফিরতেই রানের গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করেন ব্রেভিস। ১ ওভার পরেই রান আউট হন তিলক ভার্মা। ২০ বলে তিনি করেন ৩৬। পরপর ব্রেভিস ও তিলক ভার্মা আউট হলেও পোলার্ড ও সূর্যকুমার যাদব মুম্বইয়ের জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। পোলার্ড (১১ বলে ১০) রান আউট হতেই চাপে পড়ে যায় মুম্বই। সূর্যকুমার ঝড় তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রাবাডাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ওডিয়েন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সূর্যকুমার। শেষ ওভারে উনাদকাত (৭ বলে ১২), বুমরা (০) ও টাইমল মিলসকে (০) তুলে নেন স্মিথ (৪/৩০)। মুমইয়ের ইনিংস থেমে যায় ১৮৬/৯ রানে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের প্রথম জয়ের সামনে বড় প্রাচীর তুলে দিলেন শিখর–মায়াঙ্ক

সবথেকে দুই সফল দলের কাছে এবারে আইপিএল অভিযান ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ৪টি ম্যাচেই টানা হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে বুধবার চলতি আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিতে? রোহিত শর্মাদের কাছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। জয়ের জন্য রোহিত শর্মাদের করতে হবে ১৯৯। টার্গেট কিন্তু যথেষ্ট কঠিন। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রমমদীপ সিংয়ের পরিবর্তে এদিন টাইমল মিলসে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় মুম্বই। যদিও ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি জোরে বোলার পাঞ্জাব কিংসের ওপেনারদের বিরুদ্ধে এদিন তেমন সুবিধা করতে পারেননি। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো ৎ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL Match : মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে অফের লড়াইয়ে রাখলেন হার্দিক পান্ডিয়া

পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। নাইট রাইডার্স জিতে যাওয়ায় প্লে অফে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ রোহিত ও রাহুল দুজনের দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণ ভাবে টিকে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ঘাড়ে চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তেন প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনদীপ সিং। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন মনদীপ। তাঁকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। এরপর দুবলের মধ্যে ক্রিস গেইল ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন কিয়েরণ পোলার্ড। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন গেইল। ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। নিকোলাস পুরাণকে (৩ বলে ২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে আরও চাপে ফেলে দেন যশপ্রীত বুমরা। ৭.৩ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন এইডেন মার্করাম ও দীপক হুডা। ২৯ বলে ৪২ রান করে রাহুল চাহারের বলে বোল্ড হন মার্করাম। তিনি ৬টি বাউন্ডারি মারেন। ১৫.২ ওভারে ১০৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে পাঞ্জাব কিংসের। দীপক হুডা ২৬ বলে ২৮ রান করে আউট হন। হরপ্রীত ব্রার ১৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ তোলে পাঞ্জাব কিংস। পোলার্ড ৮ রানে ২টি এবং বুমরা ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৬ রানের মাথায় আউট হন রোহিত শর্মা (৮)। তাঁকে তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। পরের বলেই ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও সৌরভ তেওয়ারি। ২৭ বলে ২৯ রান করে মহম্মদ সামির বলে আউট হন ডিকক। ইশান কিশানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন সৌরভ তেওয়ারি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৩১। এই জুটিই মুম্বইকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। ৩৭ বলে ৪৫ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন সৌরভ। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন হার্দিক পান্ডিয়া (৩০ বলে অপরাজিত ৪০) ও কিয়েরণ পোলার্ড (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : কাজে এল না অর্শদীপের দুরন্ত বোলিং, শেষ ওভারে নাটকীয় জয় রাজস্থান রয়্যালসের

আইপিএলের প্রথম পর্বে চমকে দিয়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের অর্শদীপ সিং। দ্বিতীয় পর্বেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। তাঁর দুরন্ত বোলিং কাজে এল না। শেষ ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে ২ রানে নাটকীয় জয় এনে দিলেন কার্তিক ত্যাগী।প্রথম সাক্ষাতে হাই স্কোরিং ম্যাচে রান তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ৪ রানে পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরেছিল রাজস্থান রয়্যালস। ফিরতি সাক্ষাতেও হার। দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুলদের দিকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেটই ছুড়ে দেয় সঞ্জু স্যামসনের দল। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন এভিন লুইস। আইপিএলে সেই ফর্ম ধরে রেখে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। যোগ্য সঙ্গ দেন যশস্বী জয়সওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫৪। সাতটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ২১ বলে ৩৬ রান করে আউট হন লুইস। আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনকে (৪) ফেরান ঈশান পোড়েল। ৭.১ ওভারে ৬৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান রয়্যালস। ১১.৫ ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে ১৭ বলে ২৫ করে আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। রাজস্থান রয়্যালসের তৃতীয় উইকেট পড়ে ১১৬ রানের মাথায়। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হরপ্রীত ব্রারের বলে যশস্বীর ক্যাচ ধরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩৬ বলে ৪৯ করেন যশস্বী।আরও পড়ুনঃ নাসাফের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক হাবাসএকসময় মনে হচ্ছিল ২০০ রানের গন্ডি টপকে যাবে রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু ডেথ ওভারে মহম্মদ সামি, অর্শদীপ সিংরা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠায় তা সম্ভব হয়নি। ১২ রানের মধ্যে চারটি উইকেট পড়ে রাজস্থান রয়্যালসের। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে শামি রিয়ান পরাগকে ব্যক্তিগত চার রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে অর্শদীপ সিংয়ের বলে এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে মহীপাল লোমরর আউট হওয়ার আগে করেন ১৭ বলে ৪৩। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও চারটি ছক্কা। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে শামি প্রথম বলে রাহুল তেওয়াটিয়া ও পঞ্চম বলে আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ক্রিস মরিসকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। তেওয়াটিয়া বোল্ড হন, মরিসের ক্যাচ ধরেন মার্করাম। চার ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়ে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ৫০তম আইপিএল উইকেট পান সামি। ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন অর্শদীপ। ২০ ওভারে ১৮৫ রানে থেমে যায় রাজস্থান।আরও পড়ুনঃ নিজেকে প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ ঋদ্ধিমানের সামনেজয়ের জন্য ১৮৬ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১২০। লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল ভিত তৈরি করে দেন। ৩৩ বলে ৪৯ রান করে চেতন সাকারিয়ার বলে আউট হন রাহুল। তিনবার জীবন পেয়ে তিনি এই রান করেন। পরের ওভারেই রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে লিভিংস্টোনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনি ৪৩ বলে করেন ৬৭। পরপর ২ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি পাঞ্জাব কিংসে। নিকোলাস পুরান ২২ বলে করেন ৩২। কার্তিক ত্যাগীর বলে তিনি সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এদিন ক্রিস গেইলের পরিবর্তে ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করামকে খেলায় পাঞ্জাব। তিনি হতাশ করেননি। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন এইডেন মার্করাম (২০ বলে অপরাজিত ২৬)। শেষ ওভারে পাঞ্জাবের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। কার্তিক ত্যাগী ১ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। ২০ ওভারে ১৮৩/৪ তোলে পাঞ্জাব।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

'দ্বন্দ্ব' মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও

দ্বন্দ্ব মেটাতে আসানসোল পুরসভার প্রধান প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে জিতেন্দ্রর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফিরহাদ। এই বৈঠকে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরও উপস্থিত থাকতে পারেন। জানা গিয়েছে, এদিন ফিরহাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয় জিতেন্দ্রর। মঙ্গলবারের বৈঠকে যোগ দিতে তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের জানুয়ারি থেকেই মিলবে ডিএ উল্লেখ্য, গোটা ঘটনার সূত্রপাত রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে পাঠানো জিতেন্দ্র তিওয়ারির এক চিঠিকে ঘিরে। সোমবার প্রকাশ্যে এসেছে সেই চিঠি। এই চিঠিতে আসানসোলের প্রধান প্রশাসক তথা দাপুটে তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য মনোনীত হয়েছিল আসানসোল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে অনুমোদন না দেওয়ায় ওই প্রকল্পের ২ হাজার কোটি টাকা পায়নি আসানসোল পুরসভা। রাজনৈতিক কারণেই ওই প্রকল্পের সুবিধা নিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র। জিতেন্দ্রর এই চিঠির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, বিজেপির কেউ হয়তো ওকে ভুল বোঝাচ্ছে। ও গ্যাস খেয়ে এসব বলছে। আগে ওঁর সাথে আমার বহুবার কথা হয়েছে, ওদের ওখানে গিয়েছি। তখন ও আমায় কিছু বলেনি। জল প্রকল্পের জন্য অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে আসানসোল পুরসভাকে, তা নিয়ে ও কেন কিছু বলছে না। এর পাল্টা আবার মুখ খুলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বলেছেন, বিজেপির সঙ্গে হয়তো পুরমন্ত্রীর যোগাযোগ রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন ওনার নেত্রী তেমনই আমারও নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কারও কথা শুনব না। প্রয়োজনে আসানসোল পুরসভার পদ ছাড়তেও রাজি। উনি কী ইমরান খানের কথা শুনে চলছেন? আমার লেখা গোপন চিঠি এভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল কেন?

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, বুধবার পর্যন্ত গ্রেফতার নয়! পরের শুনানিতে কী হবে?

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচের মেয়াদ বুধবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৯ অগস্ট মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি হয়। আদালতে সুমিতের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন তাঁর মক্কেল। গত আট দিনে তাঁকে ছয় বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি তদন্তকারীদের কাছে হাজির হয়েছেন এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন।সুমিতের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। একই সঙ্গে তদন্ত কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়েও জানতে চায় আদালত।তদন্তের অগ্রগতি এবং জিজ্ঞাসাবাদে কী কী তথ্য উঠে এসেছে, সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় চান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সোমবার পর্যন্ত সময় চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এরপরই জানানো হয়, বুধবার মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। সেই পর্যন্ত সুমিত রায়ের গ্রেফতারির উপরও রক্ষাকবচ বহাল থাকবে।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন সুমিত রায়। তবে শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলায় আগাম জামিন না মেলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ওই মামলায় তাঁর গ্রেফতারির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।এ ছাড়াও জমি ও চাকরি সংক্রান্ত মামলার বাইরে সুমিতের বিরুদ্ধে আরও চারটি এফআইআর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণে গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য ছিল, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নিয়ম মেনেই পরে মামলাটি শুনানি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের জন্য আপাতত স্বস্তি এনে দিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। বুধবারের শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি এবং সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গবিভূষণ গেল, কয়েক ঘণ্টাতেই সুরবদল! নেতাজি মন্তব্যে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ অনন্ত মহারাজের

বঙ্গবিভূষণ সম্মান হারানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সমাজমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, নেতাজি সম্পর্কে তাঁর কোনও অনিচ্ছাকৃত বক্তব্যে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।নেতাজিকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্য ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক চলছিল। তাঁর বক্তব্যের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নেতাজিকে অপমান করলে তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর পর বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে নেয়। মমতা সরকারের আমলে গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তবে সম্মান প্রত্যাহারের পরেও প্রথমে নিজের বক্তব্যের পক্ষেই সাফাই দিয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি ছিল, তিনি নেতাজিকে অপমান করেননি। ইতিহাসে থাকা কিছু তথ্যই তিনি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিজের বক্তব্যে কোনও মনগড়া তথ্য বা মিথ্যা যোগ করেননি তিনি।অনন্ত মহারাজ আরও দাবি করেছিলেন, তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে তাঁর জন্মই হয়নি। তাই সেই ইতিহাস নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখাকে তিনি অপরাধ বলে মনে করেন না। তবে ভুল হয়ে থাকলে আইনি পথে শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য তাঁর সুর বদলে যায়। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিওবার্তায় অনন্ত মহারাজ বলেন, নেতাজির প্রতি সম্মান রেখেই তিনি দুঃখপ্রকাশ করছেন। তাঁর বক্তব্যের কোনও অংশে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত বলেও জানান।ফলে বঙ্গবিভূষণ প্রত্যাহারের পর অনন্ত মহারাজের এই দুঃখপ্রকাশকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এক দিকে তাঁর আগের বক্তব্য, অন্য দিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনাদুই অবস্থান নিয়েই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এখন এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনও আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal